টমাস কুলার কে?

Subscriber Member Since Nov 2017
Flag(0)
অন্যান্য Nov 16, 2017 09:03 AM 0 Answers
Subscribe

টমাস কুলার কে? অনেকেই টমাস কুলার এর উদ্ধৃতি লেখে, কিন্তু তিনি কে? সার্চ দিয়েছি কিন্তু পাইনি । মাস কুলার এর উদ্ধৃতিঃ ভালবাসতে শেখ, ভালবাসা দিতে শেখ। তাহলে তোমার জীবনে ভালবাসার অভার হবেনা। উত্তরদাতাকে পুরস্কিত করা হবে। ধন্যবাদ।
1 Subscribers
Submit Answer
Please login to submit answer.

0 Answers
Sort By:

IF যদি IS হয় BUT কিন্তু WHAT কি ?

Administrator Member Since Oct 2016
Flag(0)
Sep 26, 2013 12:58 AM 2 Answers
Subscribe

1 Subscribers
Submit Answer
Please login to submit answer.

2 Answers
Sort By:
Best Answer
0
AnswersBD Administrator Jul 21, 2014 04:39 PM
Flag(0)

এর উত্তর: কি কারনে যদি হয় কিন্তু কি…………

Sign in to Reply
Replying as Submit
Best Answer
0
AnswersBD Administrator Mar 12, 2014 09:09 AM
Flag(0)

উত্তর হবে- কি কারন if=যদি, is=হয়, but=কিন্তু, what = কি…………………উত্তরঃ কি

Sign in to Reply
Replying as Submit

backlink মানে কি?

Administrator Member Since Oct 2016
Flag(0)
Jun 29, 2013 11:44 AM 1 Answers
Subscribe

backlink (ব্যাকলিঙ্ক) মানে কি?
1 Subscribers
Submit Answer
Please login to submit answer.

1 Answers
Sort By:
Best Answer
0
AnswersBD Administrator Jul 02, 2013 04:08 AM
Flag(0)

ব্যাকলিংক কি:
ব্যাকলিংক এর মানে হলো একটি সাইট থেকে আপনার সাইটের জন্য লিংক পাওয়া।মনে করুন আপনার একটি ওয়েব সাইট আছে এবং সেই সাইটের লিংকটি আপনি অন্য একটি সাইটে রাখলেন।তাহলে আপনি আপনার সাইটের জন্য একটি ব্যাকলিংক পাবেন সেই সাইট থেকে যেখানে আপনি আপনার সাইটের লিংক দিয়েছিলেন।আপনার সাইট যদি A হয় এবং আপনি যে সাইটে আপনার সাইটের লিংকটি দিবেন সেটি যদি B হয় তাহলে ব্যাকলিংক হিসাবে বলতে গেলে আপনি B সাইট থেকে একটি ব্যাকলিংক পেলেন।এভাবে আপনি আপনার সাইটের লিংক যতগুলো সাইটে দিবেন আপনি ততো ব্যাকলিংক পাবেন।আর সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাজেশন এ এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসাবে ধরা হয়।অর্থাৎ আমরা এক কথায় বলতে পারি যে অন্য সাইট থেকে আমরা আমাদের নিজেদের সাইটে যে ইনকামিং লিংক পাই তাকেই ব্যাকলিংক বলে।

কেন এই ব্যাকলিংক:
ব্যাকলিংক এর কথা মনে পড়লেই আমার মনে পড়ে আমাদের দেশের বড় বড় নেতাদের কথা। কি অবাক হচ্ছেন আমার কথা শুনে? আমি ব্যাকলিংক এর প্রয়োজনীয়তার কথা বললেই সবাকেই এই নেতাদের সাথে তুলনা করতে বলি। কিভাবে?
লোকবল সবচেয়ে বড় বল।মনে করুন আপনার অনেক টাকা পয়সা আছে কিন্তু কাজ করার জন্য কোন লোকেই আপনি পেলেন না তাহলে কি টাকা পয়সার কোন মুল্য আছে? না নেই।সেভাবেই একজন প্রভাবশালী নেতাও কিন্তু একা, কোন মূল্য নেই।দেখবেন যে সে সবসময় চায় তার অনেক অনেক সাঙ্গ-পাঙ্গ (লোকবল) থাকুক।কেননা লোকবল যত বেশি হবে তার ক্ষমতার প্রভাবও ততো বেশি হবে।ফলে সে সব জায়গায় তার প্রভাব আরো বেশি করে খাটাতে পারবে।কিংবা যখন সে কোন কাজ করতে যাবে তখন যদি তার পক্ষেই সবাই ভোট বা সম্মতি দেয় তাহলে তার কাজ ও গ্রহনযোগ্যতাও অনেকাংশে বাড়বে।অতএবে সে হয়ে যাবে একজন পাওয়ারফুল ম্যান ।সার্চ ইঞ্জিন এর কাছে ব্যাকলিংকও তেমনি পাওয়ারফুল একটি জিনিস ।একটি সাইটের গুরুত্ব ও গ্রহনযোগ্যতা বাড়াতে ব্যাকলিংক বড়ানোর কোন বিকল্পই হয় না।এক একটি ব্যাকলিংক আপনার জন্য ভোট স্বরূপ।এর জন্য সার্চ ইঞ্জিন সবসময় খুজে বেড়ায় কোন সাইটের ব্যাকলিংক বেশি।কেননা আপনি ও হয়তো কখনো চাইবেন না একজন অযোগ্য প্রার্থীকে একটি গুরুত্বপূর্ণ আসনে বসাতে। এর জন্য সার্চ ইঞ্জিনও তাদের প্রথম পেজটির জন্য বেশি গুরুত্ব দেয় ব্যাকলিংককে।আর গুগল এই গুরুত্বকে সবার সামনে প্রকাশ করার জন্যই ব্যাবস্থা রেখেছে PageRank এর। পেজরেংক এর মাধ্যেম গুগল প্রকাশ করে যে ওয়েবসাইটটির গুরুত্ব বা রেংক কতটুকু।অতএব এ থেকে প্রমাণিত হয় যে আপনার পেজ রেংক বাড়ানোর জন্য সবচেয়ে দরকার ব্যাকলিংক বাড়ানো।আবার মনে করুন একজন মানুষের পিছনে ১০০ লোক আছে।এর মধ্যে ৮০ জনই হল অন্ধ,বোবা, খোড়া ইত্যাদি।তাহলে কি হলো? তার কি ১০০ জন মানুষের কাজ ঐ লোক গুলো দিয়ে করা সম্ভব?কখনোই না।কারণ ১০০ জন লোক থাকলেও তাদের জোর ও ক্ষমতা ২০ পরিপূরণ মানুষের সমান।তাছাড়া কোন কম্পানীও কিন্তু এমন অযোগ্য প্রার্থীকে কোন বড় পদে নিয়োগ দেয় না।
সার্চ ইঞ্জিনও তার ব্যাতিক্রম নয়।আপনার হয়তো ১০০ টি ব্যাকলিংক আছে।কিন্তু আপনি যে পেজ থেকে ব্যাকলিংক পেয়েছেন সেগুলো যদি সার্চ ইঞ্জিন এর কাছে কোন গুরুত্ব নাই থাকে তাহলে সেই ১০০টি ব্যাকলিংক দিয়ে কোন লাভ নেই।সেগুলো হবে ভালো ভালো ২০টি ব্যাকলিংকের সমান।এমন আছে যে আপনার ১ টি PR 5-9 ব্যাকলিংকই পেজরেংক শূন্য ১০০টি ব্যাকলিংক এর সমান।তাই যেন তেন বা মূল্যহীন ব্যাকলিংক বাড়ানোর জন্য অযথা সময় নষ্ট করবেন না ।সময় দিন এমন ব্যাকলিংক পেতে যেখান থেকে আপনি নিশ্চিত সুফল পাবেন। যদিও একটু বেশি সময় বা কষ্ট হয় তারপরও আপনি চেষ্টা করে যাবেন।আশা করি আপনারা সহজেই বুঝতে পারলেন যে ব্যাকলিংক কতটা গুরুত্বপূর্ণ।তাই সবসময় চেষ্টা করুন ব্যাকলিংক বাড়ানোর। প্রতেহ্য রুটিনের সাথে ২০-৩০ মিনিট বা তারও বেশি সময় দিন শুধুমাত্র ব্যাকলিংক বাড়ানোর জন্য।সময় ভাগ করে কাজ করুন অফপেজ অপটিমাইজেশন নিয়ে।সাফল্য আপনার হাতে আসবেই আসবে।কিভাবে পাবেন ব্যাকলিংক ইন্টারনেট এ পাওয়া যায় না এমন কিছুই নেই শুধুমাত্র হাত দিয়ে স্পর্শ করা ছাড়া।তাই আপনি আপনার ব্যাকলিংকও খুজে পাবেন ইন্টারনেটেই।

সোর্সঃ http://seotutorialdownload.blogspot.com/2012/11/backlink.html

Sign in to Reply
Replying as Submit

জিয়াউর রহমান কে ছিলেন?

Administrator Member Since Oct 2016
Flag(0)
Apr 19, 2013 05:40 AM 1 Answers
Subscribe

http://forum.projanmo.com/topic26938.html

 

সফল রাষ্ট্রপতি জিয়া
১৯৭৫ সালে স্ব-পরিবারে শেখ মুজিবুর রহমান নিহত হওযার পর- আওযামীরিগের তথ্য মন্ত্রী খন্দকার মুশতাক রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করেন. মেজর শফি ইল্লাহ তখন সেনা প্রধান।
১৯৭৫ সালের ৭ই নভেম্বর সিপাহি জনতা বিপ্লবের পর তিনি রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসেন। ১৯শে নভেম্বর ১৯৭৬ সালে তাঁকে পুনরায় সেনাবাহিনীর চীফ অফ আর্মী স্টাফ পদে দায়িত্বে প্রত্যাবর্তন করা হয় এবং উপ-প্রধান সামরিক আইন প্রশাসকের দায়িত্ব দেয়া হয়। জিয়াউর রহমান ১৯৭৬ সালের ৮ই মার্চ মহিলা পুলিশ গঠন করেন, ১৯৭৬ সালে কলম্বোতে জোটনিরপেক্ষ আন্দোলন সম্মেলনে যোগদান করেন এবং বাংলাদেশ ৭ জাতি গ্রুপের চেয়ারম্যান পদে পদোন্নতি লাভ করেন। ১৯৭৬ সালেই তিনি উলশি যদুনাথপুর থেকে স্বেচ্ছাশ্রমে খাল খনন উদ্বোধন করেন। ১৯৭৬ সালের ২৯শে নভেম্বর তিনি প্রধান সামরিক আইন প্রশাসকের দায়িত্বে অধিষ্ঠিত হন। ১৯৭৬ সালে গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী গঠন করেন, ১৯৭৭ সালের ২০শে ফেব্রুয়ারি একুশের পদক প্রবর্তন করেন এবং রাষ্ট্রপতি আবু সাদাত সায়েমকে কৌশলে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে ফেলার পর ২১শে এপ্রিল বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসাবে শপথ গ্রহণ করেন। রাষ্ট্রপতি থাকাকালীন জিয়া দেশে আবার গণতন্ত্রায়ণের উদ্যোগ নেন। তিনি বহুদলীয় গণতন্ত্র চালুর সিদ্ধান্ত নেন। দেশের রাজনীতিতে প্রতিযোগিতা সৃষ্টির আভাস দিয়ে তিনি বলেন,
“ I will make politics difficult for the politicians."

১৯৭৮ সালের ৩রা জুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জিয়াউর রহমান জয়লাভ করেন। এই নির্বাচনে মোট ১০ জন প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল। এখানে উল্লেখ্য যে, এ নির্বাচনে ১১ জন প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করেন। ২ জনের মনোনয়নপত্র বাছাই –এ বাদ পড়ায় বৈধভাবে মনোনীত প্রার্থীর সংখ্যা ৯ জন। ১ জন আপীল দাখিল করায় ও তাঁর আপীল গৃহীত হওয়ায় এবং কোন প্রার্থী প্রার্থিতা প্রত্যাহার না করায় সর্বশেষ প্রতিদ্বন্দ্বীর সংখ্যা ১০ জন ছিল। এরপর জিয়াউর রহমান মে মাসে ১৯ দফা কর্মসূচি ঘোষণা এবং আস্থা যাচাইয়ের জন্য ৩০শে মে গণভোট অনুষ্ঠান ও হাঁ-সূচক ভোটে বিপুল জনসমর্থন লাভ করেন।

 

বহুদলীয় গণতন্ত্র

নির্বাচন ব্যবস্থা পুনর্বহাল এবং অবাধ রাজনৈতিক কর্মকান্ডের সুযোগ প্রদানের লক্ষ্যে জিয়াউর রহমান যত দ্রুত সম্ভব রাজনীতির গণতন্ত্রায়নে ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। এর প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে তিনি বাংলাদেশ কৃষক-শ্রমিক আওয়ামী লীগের আমলে নিষিদ্ধ ঘোষিত রাজনৈতিক দলগুলিকে তাদের কার্যক্রম পুনরুজ্জীবিত করতে পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। এইভাবে, তিনি সংবাদপত্রের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করেন, সংবাদপত্রের মাধ্যমে তথ্যের অবাধ প্রবাহ পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেন। বিদ্যমান পরিস্থিতিতে দেশে গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে তিনি সক্রিয় রাজনীতিতে যোগদান করেন। ১৯৭৮ সালের ফেব্রুয়ারী মাসে তিনি উপরাষ্ট্রপতি বিচারপতি আব্দুস সাত্তারকে প্রধান করে জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক দল (জাগদল) প্রতিষ্ঠা করেন। ছয়টি রাজনৈতিক দলের সমন্বয়ে গঠিত জাতীয় ফ্রন্টের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এই নির্বাচনে তিনি ৭৬.৬৭% ভোট পেয়ে বিজয়ী হন এবং রাষ্ট্রপতির পদে নিয়োজিত থাকেন।

 

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা এবং মুক্তিযুদ্ধঃ

১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ পশ্চিম পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী যখন পূর্ব পাকিস্তানের নিরস্ত্র বাঙালীদের ওপর বর্বরের মতো ঘৃণ্য হামলা চালায়। সে রাতে পশ্চিম পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর হাতে পূর্ব পাকিস্তানের জনপ্রিয় বাঙালি নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান বন্দী হন। পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ চলে যান আত্মগোপনে। জনগণ তখন কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে পড়ে। এই সঙ্কটময় মুহূর্তে ১৯৭১ সালের ২৬শে (২৫ মার্চ দিবাগত রাত) মার্চ পূর্ব পাকিস্তানের রাজধানী ঢাকায় পশ্চিম পাকিস্তানী বাহিনীর বর্বর আক্রমণের পর জিয়াউর রহমান পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সাথে সম্পর্ক ত্যাগ করে বিদ্রোহ করেন এবং ২৭ শে মার্চ (২৬ শে মার্চ দিবাগত রাত) তিনি প্রথমে নিজেকে বাংলাদেশের সরকার প্রধান হিসাবে স্বাধীনতার ঘোষনা দেন। পরবতীর্তে স্থানীয় আওয়ামীলিগের নেতাদর চাপে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষ থেকে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা পত্র পাঠ করেন। আর এজন্য ২৬ শে মার্চ আমাদের স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস।
“ This is Shadhin Bangla Betar Kendro. I, Major Ziaur Rahman, on behalf of Bangobondhu Sheikh Mujibur Rahman, hereby declare that the independent People's Republic of Bangladesh has been established. I have taken command as the temporary Head of the Republic. I call upon all Bengalis to rise against the attack by the West Pakistani Army. We shall fight to the last to free our Motherland. By the grace of Allah, victory is ours.

তার ১ম ঘোষনাটির সবগুলো কপি রহস্যজনক কারনে শেখ মুজিব সরকার নষ্ট করে ফেলেন। যার কারনে আমি বাধ্য হয়ে ২য় ঘোষনাটি লিখছি । যা আজ লক্ষ লক্ষ কপি সারা পৃথিবীর মানুষের কাছে আছে। মেজর জিয়া এবং তাঁর বাহিনী সামনের সারি থেকে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা করেন। তাঁরা বেশ কয়েকদিন চট্টগ্রাম ও নোয়াখালী অঞ্চল নিজেদের নিয়নত্রণে রাখতে সক্ষম হয়। পরবর্তীতে পাকিস্তান সামরিক বাহিনীর অভিযানের মুখে কৌশলগতভাবে তাঁরা সীমান্ত অতিক্রম করেন। ১৭ই এপ্রিল মুজিবনগর সরকার গঠিত হলে তিনি ১ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার নিযুক্ত হন। তিনি সেনা সদস্যদের সংগঠিত করে পরবর্তীতে তিনটি সেক্টরের সমন্বয়ে জেড ফোর্সের অধিনায়ক হিসেবে যুদ্ধপরিচালনা করেন। স্বাধীনতা যুদ্ধে জিয়াউর রহমান, যুদ্ধ পরিকল্পনা ও তার বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করেন। ১৯৭১ সালের জুন পর্যন্ত ১ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার ও তারপর জেড-ফোর্সের প্রধান হিসেবে তিনি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। একাত্তরের রণাঙ্গনে জিয়াউর রহমানের বীরত্বগাথা লিখে শেষ করা যাবে না। তিনিই প্রথম ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তান সরকারের বিরুদ্ধে ‘বিদ্রোহ’ ঘোষণা করে স্বাধীনতা যুদ্ধের সূত্রপাত করেন। ২৭( মার্চ ২৬ শে মার্চ)তিনিই চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন এবং ৩০ মার্চ জাতির উদ্দেশে একটি ভাষণ দেন। রণাঙ্গনে তার সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য ছিল, তিনি সবসময় সামনে থাকতেন এবং কমান্ডারদের সৈনিকের সামনে থাকতে পরামর্শ দিতেন। চট্টগ্রামের একটি ভয়াবহ যুদ্ধে আমরা তাকে বাংকারে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলাম। কিন্তু তিনি সেখানে যাননি। বলেছেন, আমি বাংকারে গেলে আমার সৈনিকরা পালিয়ে যেতে পারে। বাংকারে গেলে নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে এর কোনো নিশ্চয়তা নেই। একাত্তরের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের বিজয়ের দু’দিন আগে সিলেটের এমসি কলেজের পাশ দিয়ে সিলেট শহরে ঢোকার আগে পাকিস্তানি সৈন্যদের ব্যাপক গোলাবর্ষণের শিকার হয়েছিল জিয়ার বাহিনী। এ পরিস্থিতিতে সহকর্মীরা তাকে পিছিয়ে যেতে বলেছিলেন। কিন্তু তিনি সিদ্ধান্ত নেন, সবাই মরে গেলেও সামনের দিকে এগিয়ে যাবেন।
স্বাধীনতা যুদ্ধে বীরত্বের জন্য তাকে বীর উত্তম উপাধিতে ভূষিত করা হয়।

এককথায়

১. সিপাহী
২. মুক্তি যোদ্ধা
৩. সেক্টর কমান্ডার
৪. জেড ফোর্সের অধিনায়ক
৫. স্বাধীনতার ঘোষক
৬. সেনা প্রধান
৭. ১৫/৭৫ পট পরিবর্তেন নেত্রীত্তশুন্য দেশকে নেত্রীত্ব দান
৮. সামরিক আইন প্রশাশনক
৯. রাষ্ট্র পতি
১০. বহুদলীয় গনতন্ত্রের প্রবক্তা
১২. বি.এন.পি প্রধান
১৩. আধুনিক রাষ্টের স্থপতি
১৪. তার স্ত্রী দেশের ৩ বারের প্রধানমন্ত্রী
১৫. সার্কের প্রতিষ্ঠাতা
(ইত্যাদি)

1 Subscribers
Submit Answer
Please login to submit answer.

1 Answers
Sort By:
Best Answer
0
AnswersBD Administrator Apr 22, 2013 03:51 AM
Flag(0)

কিরে ভাই এইডা কি প্রশ্ন করলেন, না উত্তর দিলেন। এটি অন্য কোন ব্লগে লিখুন।

Sign in to Reply
Replying as Submit

CSS এর পূর্নরূপ কি ?

Administrator Member Since Oct 2016
Flag(0)
Dec 07, 2012 09:51 AM 2 Answers
Subscribe

1 Subscribers
Submit Answer
Please login to submit answer.

2 Answers
Sort By:
Best Answer
0
AnswersBD Administrator Dec 07, 2012 11:13 AM
Flag(0)

cascading style sheet

Sign in to Reply
Replying as Submit
Best Answer
0
AnswersBD Administrator Dec 07, 2012 11:13 AM
Flag(0)

CSS = Cascading Style sheet

Sign in to Reply
Replying as Submit

এস.ই.ও কি ? কি কাজে লাগে ?

Administrator Member Since Oct 2016
Flag(0)
Nov 20, 2012 09:03 PM 2 Answers
Subscribe

দয়া করে বিস্তারিত জানান
1 Subscribers
Submit Answer
Please login to submit answer.

2 Answers
Sort By:
Best Answer
0
AnswersBD Administrator Nov 20, 2012 11:41 PM
Flag(0)

আশাকরি এই পোস্ট থেকে বিস্তারিত জানতে পারবেন- http://earntricks.com/onpageseo/16914

Sign in to Reply
Replying as Submit
Best Answer
0
AnswersBD Administrator Nov 20, 2012 10:03 PM
Flag(0)

পড়ুন ঃ http://webseoguide.net/seo-series-tutorial/post-id/1273

Sign in to Reply
Replying as Submit