FAT32 সম্পর্কে জানতে চাই?

Administrator Member Since Oct 2016
Flag(0)
Jun 12, 2013 02:43 PM 1 Answers
Subscribe

1 Subscribers
Submit Answer
Please login to submit answer.

1 Answers
Sort By:
Best Answer
0
AnswersBD Administrator Jun 12, 2013 02:53 PM
Flag(0)
FAT এর পূর্ণরূপ হচ্ছে File Allocation Table।ফ্যাট হচ্ছে কম্পিউটার ফাইল সিস্টেম আর্কিটেকচার যেটি কম্পিউটার সিস্টেম ও মেমোরি কার্ডে বর্তমানে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে । এছাড়া এটি ফ্ল্যাশ মেমোরি কার্ড, ফ্লপি ডিস্ক, ডিজিটাল ক্যামেরা এবং অন্যান্য পোর্টেবল ডিভাইসে ব্যবহৃত হয় । FAT হচ্ছে এমন একটি পদ্ধতি, যে পদ্ধতিতে উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম তার হার্ডড্রাইভে ডাটা সংরক্ষণ করে । এটি ফাইলের ট্র্যাক সংরক্ষণ ও ডিস্ক লোকেট করতে কম্পিউটারকে সাহায্য করে । এমন কি কোন ফাইল ফ্র্যাগমেন্টেড করা হলেও FAT এর ট্র্যাক সংরক্ষণ করতে পারে ।
 
FAT32 এর পূর্ণরূপ হচ্ছে 32 bit File Allocation Table । FAT32 হচ্ছে প্রকৃত FAT সিস্টেমের উন্নত সংস্করণ, যেটি বেশী পরিমানে বিট ব্যবহার করে ডিস্কে ক্লাস্টার (ক্লাস্টার হচ্ছে হার্ডডিস্কে তথ্য রাখার একক, যেটি ফাইল সনাক্ত ও বিন্যস্ত করতে ব্যবহৃত হয়) সনাক্ত করে । এটি কম্পিউটারকে ফাইল বন্টন করতে এবং এর দক্ষতা বাড়াতে সাহায্য করে। FAT32 দুই টেরাবাইট পর্যন্ত ডাটা হার্ডডিস্কে স্টোর করতে পারে ।
 
উইন্ডোজ ৯৫ ওএসআর২ তে FAT32 এর সূচনা হয়েছিল। পরে উইন্ডোজ ৯৮ এ একটি ইউটিলিটি ছিল যেটি ডাটার কোন ক্ষতি না করে হার্ডডিস্ককে FAT16 থেকে FAT32 এ রূপান্তর করতে পারত। FAT32 তে একটি ফাইলের সাইজ সর্বোচ্চ ৪ জিবি-১ বা ২^৩২-১ বাইট হতে পারে । ভিডিও অ্যাপ্লিকেশন, বড় ডাটাবেজ এর ক্ষেত্রে এ সাইজ সহজেই অতিক্রম করে। তখন ঐ সব ফাইলগুলোর জন্য অন্য রকমের ফাইল সিস্টেমের প্রয়োজন হয় ।
Sign in to Reply
Replying as Submit

psc result 2012 ৩২তম স্পেশাল ভাইভা রেসাল্ট কবে হচ্ছে কেউ জানেন ?

Administrator Member Since Oct 2016
Flag(0)
Dec 29, 2012 12:53 PM 0 Answers
Subscribe

1 Subscribers
Submit Answer
Please login to submit answer.

0 Answers
Sort By:

৬৪ বিট প্রসেসর আর ৩২ বিট প্রসেসরের মধ্যে পার্থক্য কি?

Administrator Member Since Oct 2016
Flag(0)
Sep 22, 2012 05:15 AM 4 Answers
Subscribe

1 Subscribers
Submit Answer
Please login to submit answer.

4 Answers
Sort By:
Best Answer
0
AnswersBD Administrator Oct 14, 2012 12:42 PM
Flag(0)

http://kamrulcox.blogspot.com/2012/01/blog-post_20.html

Sign in to Reply
Replying as Submit
Best Answer
0
AnswersBD Administrator Oct 12, 2012 06:29 AM
Flag(0)

 

৩২ বিট আর ৬৪ বিট এ পার্থক্য কিঃ
১। ৩২ বিট এর চেয়ে ৬৪ বিটে উইন্ডোজের নিরাপত্তা ব্যবস্থা বেশি, বিশেষ করে Kernel Patch Protection অনেক বেশি শক্তিশালী হয় ৬৪ বিটে।Kernel হল প্রসেসর, হার্ডওযার, ডিভাইস ড্রাইভার এর সাথে অন্যান্য সফটওয়ারের সমন্বয় রক্ষা করে চলার একটি পদ্ধতি যার উপর ভিত্তি করে অপারেটিংস সিস্টেম তৈরি হয়। একেক অপারেটিং সিস্টেমে একেক ধরনের Kernel ব্যবস্থা ব্যবহার করা হয়।
২। ৬৪ বিট উইন্ডোজে ডিজিটাল সাইন ছাড়া ড্রাইভার ইন্সটল করা যায় না। ডিজিটাল সাইনটা এক প্রকার কোম্পানির সীলের মত। যখন ঐ সফটওয়ারটাকে ভাইরাস আক্রমন করে বা এর মধ্যে কোন পরিবর্তন হয় তখন ডিজিটাল সাইনটি পরিবর্তিত হয়ে যায় যাকে হিসেবে উইন্ডোজ ধরে নেয়। ৩২ বিটেও ডিজিটাল সাইন ছাড়া ড্রাইভার ইন্সটল না করার অপশন আছে তবে এটি ডিফল্ট সেটিংস নয়। কিন্তু ৬৪বিটে উইন্ডোজ Digital Sign Broken কে অনুমোদন করে না।
৩। ৬৪ বিট প্রসেসরে ৬৪ বিট এবং ৩২ বিট দুই ধরনের উন্ডোজই (অপারেটিং সিস্টেম) ব্যবহার করা যায়। তবে ৩২ বিট প্রসেসরে শুধু মাত্র ৩২ বিট উন্ডোজই ব্যবহার করা যায়। সুতরাং ৬৪বিট উইন্ডোজ ব্যবহার করতে চায়লে ৬৪বিট প্রসেসরই লাগবে।
৪। ৬৪বিট উইন্ডোজে কিছু কিছু ৩২বিটের সফওয়ার, আর ড্রাইভার রান করা গেলেও অনেক সময় সমস্যা দেখা দেয়, সঠিকভাবে কাজ করে না। তবে ৩২বিট উইন্ডোজে ৬৪বিট সফটওয়ার বা ড্রাইভার কোনটাই কাজ করে না। অর্থাৎ সঠিকভাবে কাজ করার জন্য ৬৪বিটের জন্য ৬৪বিটের সফটওয়ার আর ড্রাইভার যেমন দরকার তেমন ৩২ বিটের জন্যও ৩২বিটের সফটওয়ার আর ড্রাইভার দরকার। আবার ১৬বিট প্রোগ্রামগুলো ৩২বিটে কাজ করলেও ৬৪বিটে কাজ করে না। ৬৪ বিটের প্রোগ্রামগুলো ৩২বিটের চেয়ে পারফরমেন্স ভাল দেখায়। যেমন ক্রাশ করা বা এরকম অন্যান্য সমস্যাগুলো থেকে ৬৪বিট প্রোগ্রামগুলো মুক্ত বললেই চলে।
৫। ৬৪বিট প্রসেসর সাধারণত x64 এবং ৩২বিট প্রসেসর সাধারণত x86 গতিতে চলে।
৬। ৩২ বিটের জন্য সাধারণত 512MB থেকে 4 GB পর্যন্ত RAM Recommend করা হয় যেখানে ৬৪বিটের জন্য 4 GB recommend করা হয়। এর চেয়ে কম হলেও চলে। RAM
সবচেয়ে বড় ব্যাপার হল 4 GB এর উপর RAM ব্যবহার করতে চায়লে অবশ্যই ৬৪বিট প্রসেসর আর উইন্ডোজ ব্যবহার করতে হবে। কারণ ৩২ বিটে 4 GB এর উপর RAM ব্যবহার করা হলেও তা ব্যবহৃত হয় না। এমনকি অনেক সময় সর্বোচ্চ 3 GB পর্যন্ত ব্যবহৃত হয়ে বাকিগুলো RAM অব্যবহৃত থেকে যায় কারণ হার্ডওয়ার সাপোর্ট করে না। অন্যদিকে ৬৪বিটে 1GB থেকে 128GB এর চেয়ে বেশি RAM সাপোর্ট করে। যদিও এখনো 128GB RAM ব্যবহারের রেকর্ড শুনা যায়নি। তবে ব্যবস্থাটা রাখা হয়েছে।
যে সব কাজের জন্য বেশি RAM প্রয়োজন তার জন্য ৬৪বিটের বিকল্প নেই। যেমন হলিউডের যে ফিল্মগুলো তৈরি করা হয় তাতে সব ৬৪বিটের প্রোগ্রামগুলোই ব্যবহার করা হয়। তেমনি 3D, High powerful Graphics আর Multimedia’র জন্য ৬৪বিট একমাত্র সমাধান।
Sign in to Reply
Replying as Submit
Best Answer
0
AnswersBD Administrator Oct 05, 2012 03:02 AM
Flag(0)

Think of your computer as a series of tubes that can either be 32 or 64 bits wide. When you have the smaller 32-bit size, there is more potential for bottlenecks to occur. Bottlenecks slow down your system because one process has to wait for another to finish before it can begin. But if you want to have 64-bit wide tubes, your computer needs to be thinking in 64-bit so your software and hardware all need to support 64-bit. If you do not know the difference between 32-bit and 64-bit, I would have told you in the past that you are running a 32-bit version of Windows. But now with Windows 7 I am seeing more and more 64-bit operating systems shipped by default without the end users knowledge. Don’t get me wrong, a 64-bit system is better but you also need to be running 64-bit programs and have a 64-bit processor or else all the trouble of setting up the 64-bit operating system would be worthless. On a 32-bit operating system, you are restricted to a maximum of 4 gigabytes of RAM. On a 64-bit operating system, you really do not have a limit. Let’s look at Wikipedia and find out the maximum amount of RAM for a 64-bit operating system:

Sign in to Reply
Replying as Submit
Best Answer
0
AnswersBD Administrator Oct 05, 2012 01:23 AM
Flag(0)

x64 প্রসেসর আরো দ্রুত কাজ করে x32 অপেক্ষা

Sign in to Reply
Replying as Submit