এই site এর নিয়ম-নীতি এবং উদ্দেশ্যা সম্পর্কে জানাবেন কি?

Administrator Member Since Oct 2016
Flag(0)
Oct 20, 2012 06:32 AM 1 Answers
Subscribe

দয়া করে এই site এর নিয়ম-নীতি এবং উদ্দেশ্য সম্পর্কে জানাবেন।
1 Subscribers
Submit Answer
Please login to submit answer.

1 Answers
Sort By:
Best Answer
0
AnswersBD Administrator Oct 20, 2012 07:21 AM
Flag(0)

নিয়ম-নীতি এবং উদ্দেশ্য জানার আগ্রকে স্বাগত জানাই

জ্ঞানের চর্চার ক্ষেত্রে কোন নিয়ম-নীতি, বাধা এর যাতাকল প্রয়োগ করতে আমরা নারাজ এবং এটা খুব একটা ফলপ্রসু হয় না কারন জ্ঞান কোন দিন লুকিয়ে রাখতে পারবেন না । কোন একদিন প্রকাশ পাবেই আপনার মাধ্যমে না হোক অন্য কারও মধ্যমে

তারপরও কিছু নিয়ম-নীতি রাখতে হচ্ছে কিছু অতি উতসাহী এবং উত্তেজিত মানুষের দৃষ্টি আকর্ষনের জন্যে দয়া করে এই লিঙ্ক

(http://www.answersbd.com/ask

http://www.answersbd.com/register?to=) গুলোর নিচের দিকে নিয়ম-নীতি গুলো পাবেন

আর উদ্দেশ্য একটাই জ্ঞানের চর্চা , একের সমস্যা অন্যের সমাধান

ধন্যবাদ 

Sign in to Reply
Replying as Submit

ই-মেইল কে,কতো সালে আবিস্কার করেন? তাঁর আবিস্কারের উদ্দেশ্য কি ছিল?

Administrator Member Since Oct 2016
Flag(0)
Sep 22, 2012 07:12 PM 1 Answers
Subscribe

1 Subscribers
Submit Answer
Please login to submit answer.

1 Answers
Sort By:
Best Answer
0
AnswersBD Administrator Sep 22, 2012 10:52 PM
Flag(0)

 

ই-মেইল তথা ইলেক্ট্রনিক মেইল হল ডিজিটাল বার্তা যা কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে প্রেরণ করা হয়। ১৯৭২(RFC 561) খ্রীস্টাব্দে তদানিন্তন আরপানেটে সর্বপ্রথম ইলেক্ট্রনিক মেইল প্রেরণ করা হয়। ই-মেইল পেতে প্রথম দিকের ই-মেইল ব্যবস্থায় প্রেরক এবং প্রাপক দুজনকেই অনলাইনে থাকতে হত। এখনকার ই-মেইলগুলোতে এই সমস্যা নেই। ই-মেইল সার্ভারগুলো মেইল গ্রহণ করে এবং সংরক্ষন করে পরে পাঠায়। ব্যবহারকারী বা প্রাপককে অথবা কম্পিউটারকে অনলাইনে থাকার প্রয়োজন হয় না শুধু মাত্র কোন ই-মেইল সার্ভারে থাকলেই সচল ই-মেইল ঠিকানা থাকলেই হয়।

একটি ই-মেইল বার্তা তিনটি অংশ নিয়ে গঠিত- বার্তার খাম বা মোড়ক, বার্তার হেডার বা মূল (যেটাতে বার্তা কোথায় এবং কার কাছ থেকে তথ্য থাকে) এবং বার্তা। হেডার মেইল নিয়ন্ত্রনের তথ্য বহন করে, যেটাতে (কম করে হলেও) প্রেরকের ই-মেইল ঠিকানা, এক বা একাধিক প্রাপকের ঠিকানা থাকে। কিন্তু সাধারণত আরো বিস্তারিত তথ্যও থাকে যেমন হেডার বিষয়বস্তুর জন্য একটি ফিল্ড এবং বার্তা প্রেরণের তথ্য, গ্রহণের তথ্য প্রভৃতি।

উৎপত্তিগতভাবে বার্তায় লেখা (৭ বিটের আসকি এবং অন্যান্যগুলো) হল যোগাযোগের মাধ্যম কিন্তু ই-মেইল এখন মাল্টিমিডিয়াও পাঠাতে পারে এবং এটাচমেন্ট(সংযুক্তি) সংযুক্ত করতে পারে। এটি আরএফসি ২০৪৫ থেকে ২০৪৯এ পাঠানোর একটি প্রক্রিয়া। এই আরএফসি কে এমআইএমই বলে যার অর্থ হল মাল্টিপারপাস ইন্টারনেট মেইল ইক্সটেনশন।

অর্পানেটে নেটওয়ার্ক ভিত্তিক ই-মেইলগুলো প্রথমে বিনিময় হত এফটিপি (ফাইল ট্রান্সফার প্রোটোকল) দিয়ে, কিন্তু এখন এসএমটিপি (সিম্পল মেইল ট্রান্সফার প্রোটোকল) দিয়ে বিনিময় করা হয় যা প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৮২ সালে(RFC 821)। বার্তা পাঠানোর প্রক্রিয়ায় এসএমটিপি তার খাম বা এনভেলপ এ ভিন্ন (বার্তা এবং হেডার থেকে)ডেলিভারি তথ্য জমা করে রাখে।

 

 

ইমেইল আবিষ্কার করেন Ray Tomlinoson ১৯৭১ সালে। পরে ১৯৭২ সালে এটি উন্নত করে একাধিক ব্যবহারকারীর ব্যবহারের উপযোগী করা হয়।
বিশ্বের প্রথম সমন্বিত ইমেল সিস্টেম উদ্ভাবন করেন Dr.V A. Shiva Ayyadurai(১৯৮০)।
 
The original Internet was created as a means for US institutions and other research facilities to share their research data more rapidly than could be done through postal mail or phone conversations. This network had a very low bandwidth capability, a fraction of what is available today. At that time, it’s only capabilities were the passage of text messages(the original email), and transferring small files.

 

তথ্যসূত্রঃ

১. https://google.com
২. http://bn.wikipedia.org/wiki/ই-মেইল
৩. http://en.wikipedia.org/wiki/Email
৪. http://wiki.answers.com/Q/Who_invented_email
৫. http://wiki.answers.com/Q/Why_was_email_invented
৬. http://www.livinginternet.com/e/ei.htm
৭. http://www.wired.com/wiredenterprise/….email/

 

 

Sign in to Reply
Replying as Submit