Area 51 কিসের জন্য বিখ্যাত?

Please check these topics first.

    Administrator Member Since Oct 2016
    Flag(0)
    Oct 29, 2012 12:39 AM 1 Answers
    Subscribe

    Area 51 কিসের জন্য বিখ্যাত?

    1 Subscribers
    Submit Answer
    Please login to submit answer.

    1 Answers
    Sort By:
    Best Answer
    0
    AnswersBD Administrator Nov 19, 2012 11:48 AM
    Flag(0)

    AREA 51

    ১৯৮৭ সালে নিউ মেক্সিকোর স্থানীয় টিভি চ্যানেলের এম আর টিভি একটি টিভি সাক্ষাৎকার নেয়। এক Undercover (পরিচয় গোপনকারী) ব্যক্তি দাবি করেন- তিনি ‘AREA51’ নামে এক মরুভূমির মাঝে একটি সামরিক বেসে একটি ফ্লাইং সসার নিয়ে গবেষণা করেন।

    http://s19.postimage.org/bqhz12x37/AZ_republic_phoenix_lights.jpg

    AREA 51

    ঐ বেসের প্রধান তাকে বলেন, এটি ভিনগ্রহ থেকে পৃথিবীতে এসেছিলো এবং তাদের আরোহীদের হত্যা করে ইউএস আর্মি এটা দখল করে নিয়েছে। কিন্তু তারা এর কার্যকলাপ বুঝতে ব্যর্থ হন। তাই একজন পদার্থবিজ্ঞানীর সহায়তা চান মেজর। অবশ্য, ঐ লোকের শিক্ষাগত যোগ্যতা ছিল পদার্থবিজ্ঞানে।

    http://s19.postimage.org/6t4efyv43/Flying_Saucer0527.jpg

    তারপরও ফ্লাইং সসার সম্বন্ধে তাকে কেন ডাকা হলো কেউ জানে না। যা হোক, ঐ লোক দাবি করেন, ঐ আকাশযান কোন শব্দ ছাড়াই উত্তোলন বা অবতরণ করা সম্ভব। তাহলে এ এক অতি উন্নত সভ্যতার সাক্ষ্য বহন করে। তিনি আরো দাবি করেন যে, সেখানে আরও একটি উন্নত যন্ত্র রয়েছে যার কার্যকলাপ তিনি বুঝতে পারেননি। সেখানে সেই যন্ত্রের ভেতরে একটি গোলাকার কক্ষ, যার মাঝে রয়েছে গোলাকার একটি প্যানেল। আর সেই গোলাকার প্যানেলের উপরে রয়েছে একটি বৃত্ত, যা ছাদ থেকে ঝুলছে। এই বৃত্তাকার যন্ত্রটিই বোধ হয় ফাইং সসারের মাথা। মেস কমান্ডার মেজর হেল দাবি করেন, ঐ এলাকার উপরে আরো ফ্লাইং সসার আসে, তিনি ঐ পদার্থবিজ্ঞানীকে সতর্ক করে দেন-কেউ যেন এ বিষয়ে না জানে। কিন্তু বিজ্ঞানী তার বন্ধুদের জানিয়ে দেন। তখন মেজর তাকে কাজ থেকে বহিষ্কার করেন এবং শাসিয়ে যান। তার কিছুদিন পর তাকে হত্যা করতে গুলি ছোঁড়া হয়। তাই তিনি টিভির শরণাপন্ন হয়েছেন। কিছুদিন পর তিনি স্বপরিচয় স্বীকার করেন এবং জানান ইউফো দেখতে হলে ‘AREA51’ ই উপযুক্ত স্থান। এর অনেক প্রমাণও আছে। ‘AREA51’ -এর ১০ কি.মি. ব্যাসার্ধে থাকে অস্ত্রধারী সৈন্য। কেউ ক্যামেরা নিয়ে ঢুকতে পারে না। গুলি করার নির্দেশ আছে। Discovery Channel এর ক্যামেরায় রাতের বেলা অজানা আলো ‘AREA51’ -এর উপর দিয়ে উড়ে যাওয়ার দৃশ্য রেকর্ড আছে। তবে কর্তৃপক্ষ ‘AREA51’ কে মানচিত্রে স্থান দেননি এবং তাকে হাইপারসনিক বিমানের গবেষণাগার হিসেবে চিহ্নিত করে। সোভিয়েত স্যাটেলাইট ঐ স্থানে কাঠামোর ছবি তোলে, কোনো ইউফো দেখা যায়নি। ইউফোনামার প্রত্যদর্শীর সংখ্যা নেহায়েত কম নয়।AREA 51

    ১৯৮৭ সালে নিউ মেক্সিকোর স্থানীয় টিভি চ্যানেলের এম আর টিভি একটি টিভি সাক্ষাৎকার নেয়। এক Undercover (পরিচয় গোপনকারী) ব্যক্তি দাবি করেন- তিনি ‘AREA51’ নামে এক মরুভূমির মাঝে একটি সামরিক বেসে একটি ফ্লাইং সসার নিয়ে গবেষণা করেন।

    http://s19.postimage.org/bqhz12x37/AZ_republic_phoenix_lights.jpg

    AREA 51

    ঐ বেসের প্রধান তাকে বলেন, এটি ভিনগ্রহ থেকে পৃথিবীতে এসেছিলো এবং তাদের আরোহীদের হত্যা করে ইউএস আর্মি এটা দখল করে নিয়েছে। কিন্তু তারা এর কার্যকলাপ বুঝতে ব্যর্থ হন। তাই একজন পদার্থবিজ্ঞানীর সহায়তা চান মেজর। অবশ্য, ঐ লোকের শিক্ষাগত যোগ্যতা ছিল পদার্থবিজ্ঞানে।

    http://s19.postimage.org/6t4efyv43/Flying_Saucer0527.jpg

    তারপরও ফ্লাইং সসার সম্বন্ধে তাকে কেন ডাকা হলো কেউ জানে না। যা হোক, ঐ লোক দাবি করেন, ঐ আকাশযান কোন শব্দ ছাড়াই উত্তোলন বা অবতরণ করা সম্ভব। তাহলে এ এক অতি উন্নত সভ্যতার সাক্ষ্য বহন করে। তিনি আরো দাবি করেন যে, সেখানে আরও একটি উন্নত যন্ত্র রয়েছে যার কার্যকলাপ তিনি বুঝতে পারেননি। সেখানে সেই যন্ত্রের ভেতরে একটি গোলাকার কক্ষ, যার মাঝে রয়েছে গোলাকার একটি প্যানেল। আর সেই গোলাকার প্যানেলের উপরে রয়েছে একটি বৃত্ত, যা ছাদ থেকে ঝুলছে। এই বৃত্তাকার যন্ত্রটিই বোধ হয় ফাইং সসারের মাথা। মেস কমান্ডার মেজর হেল দাবি করেন, ঐ এলাকার উপরে আরো ফ্লাইং সসার আসে, তিনি ঐ পদার্থবিজ্ঞানীকে সতর্ক করে দেন-কেউ যেন এ বিষয়ে না জানে। কিন্তু বিজ্ঞানী তার বন্ধুদের জানিয়ে দেন। তখন মেজর তাকে কাজ থেকে বহিষ্কার করেন এবং শাসিয়ে যান। তার কিছুদিন পর তাকে হত্যা করতে গুলি ছোঁড়া হয়। তাই তিনি টিভির শরণাপন্ন হয়েছেন। কিছুদিন পর তিনি স্বপরিচয় স্বীকার করেন এবং জানান ইউফো দেখতে হলে ‘AREA51’ ই উপযুক্ত স্থান। এর অনেক প্রমাণও আছে। ‘AREA51’ -এর ১০ কি.মি. ব্যাসার্ধে থাকে অস্ত্রধারী সৈন্য। কেউ ক্যামেরা নিয়ে ঢুকতে পারে না। গুলি করার নির্দেশ আছে। Discovery Channel এর ক্যামেরায় রাতের বেলা অজানা আলো ‘AREA51’ -এর উপর দিয়ে উড়ে যাওয়ার দৃশ্য রেকর্ড আছে। তবে কর্তৃপক্ষ ‘AREA51’ কে মানচিত্রে স্থান দেননি এবং তাকে হাইপারসনিক বিমানের গবেষণাগার হিসেবে চিহ্নিত করে। সোভিয়েত স্যাটেলাইট ঐ স্থানে কাঠামোর ছবি তোলে, কোনো ইউফো দেখা যায়নি। ইউফোনামার প্রত্যদর্শীর সংখ্যা নেহায়েত কম নয়।

    internet

    ফ্রম

    Sign in to Reply
    Replying as Submit