আমরা লেখা পড়া করে শিক্ষিত হই কিসের জন্য?

Administrator Member Since Oct 2016
Flag(0)
Jan 29, 2014 07:35 PM 2 Answers
Subscribe

1 Subscribers
Submit Answer
Please login to submit answer.

2 Answers
Sort By:
Best Answer
0
AnswersBD Administrator Jan 29, 2014 11:17 PM
Flag(0)

এক কথায় বলতে গেলে বিবেক বান ব্যক্তি হওয়ার জন্য।

Sign in to Reply
Replying as Submit
Best Answer
0
AnswersBD Administrator Jan 29, 2014 10:41 PM
Flag(0)

শিক্ষার উদ্দেশ্যঃ

১. আমাদের সংবিধানে অন্তর্ভূক্ত রাষ্টীয় মূলনীতি জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র , ও ধর্মনিরোপেক্ষতার সংঙ্গে শিক্ষার সুষ্ঠু সমন্বয় সাধন করা।
 ২.  দেশবাসীকে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করা এবং দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ও সচেতন করে তোলা।
 ৩.   ব্যক্তি ও জাতীয় জীবনের নৈতিক, মানবিক ধর্মীয় সাংস্কৃতিক ও সামাজিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠাকল্পে শিক্ষার্থীদের মেধা-মননে, কর্মে ও ব্যবহারিক জীবনে উদ্দীপনা সৃষ্টি করা।
 ৪.  দেশে নিরক্ষরতার অবসান ঘটানো।
 ৫.    শিক্ষাকে ব্যাপকভিত্তিক করার লক্ষ্যে প্রাথমিক এবং মাধ্যমিক শিক্ষার উপর বিশেষ জোর দেওয়া এবং শিক্ষার প্রত্যেক স্তরে পূর্ববর্তী স্তরের অর্জিত জ্ঞান, দক্ষতা ও দৃষ্টিভঙ্গির ভিত দৃঢ় ও এগুলো সম্প্রসারনে সহায়তা ও নবতম জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জনে শিক্ষার্থীদের সমর্থ করা।
 ৬.   দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক অবস্থার পরিবর্তন আনার জন্য শিক্ষাকে প্রয়োগমুখী উৎপাদনক্ষম সৃজনশীল করে তোলা এবং শিক্ষার্থীদের বৈজ্ঞানিক দৃষ্টি ভঙ্গি সম্পন্ন দায়িত্ববান ও কর্তব্য পরায়ন জনশক্তি করে গড়ে গড়ে তোলা।
  ৭.  সমাজের প্রতিস্তরের মানুষকে নিজ নিজ মেধা ও প্রবণতা অনুসারে বিকশিত হওয়ার সুযোগ দেয়া।
 ৮.   বৃত্তিমূলক দক্ষতা ও সৃজনশীলতা বৃদ্ধি করে সামাজিক অগ্রগতি নিশ্চিত করা এবং বিমুখ মানসিকতা দূর করে আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি করা ।
 ৯.   বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত মানুষের জ্ঞান, দক্ষতা ও কর্মানুরাগ বৃদ্ধি করে বিপুল জনশক্তিকে জাতীয় সম্পদে   জনজীবনের গুরুত্বপূর্ণ সমস্যার সমাধান করে জাতির প্রাণে নতুন প্রেরনার সঞ্ঝার সম্ভব হয়।
১০.    মৌলিক চিন্তার স্বাধীনতা প্রকাশে শিক্ষার্থীর অনুপ্রাণিত করা এবং সমাজেমুক্ত চিন্তার বিকাশ ঘটানো।
১১.    নেতৃত্বের গুনাবলী অর্জনে শিক্ষার্থীদের সাহায্য করা এবং গণতান্ত্রিক চেতনা বোধের বিকাশের জন্য পারস্পারিক মতাদর্শের প্রতি সহনশীল হওয়া এবং জীবনমুখী বস্তু নিষ্ঠ ও ইতি বাচক দৃষ্টি ভঙ্গি বিকাশে সহায়তা করা।
১২.    বিশ্বের সকল দেশের মানুষের মধ্যে বিশ্বভাতৃত্ব বোধ, অসাম্প্রদায়িকতা, সৌহার্দ্য, সহমর্মিতা বোধ এবং মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধাশীল করে গড়ে তোলা এবং তাদের বস্তুনিষ্ঠ, বিজ্ঞান মনস্ক ও সমাজ সচেতন মানুষে পরিনত করা।
  ১৩.  মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় শিক্ষার্থীদের অনুপ্রাণিত করে তোলা এবং তাদের চিন্তা চেতনায় জাতীয়তাবোধ এবং চরিত্রে সুনাগরিকের গুণাবলীর বিকাশ ঘটানো।
 ১৪.   জাতীয় ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির ধারা ও নৈতিক মূল্যবোধ বিকশিত করে বংশ পরস্পরায় হস্তান্তরের ব্যবস্থা করা।
 ১৫.    শিক্ষার গুণগতমান সবপর্যায়ে সমুন্নুত রাখার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ।
    পরিবেশ সচেনতা সৃষ্টি করা।
১৬.    শিক্ষার প্রত্যেক স্তরে পূর্ববর্তী স্তরের অর্জিত জ্ঞান, দক্ষতা ও দৃষ্টি ভঙ্গির ভিত দৃঢ় করা ও এগুলো সম্পসারণে সহায়তা করা এবং নবতর জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জনে শিক্ষার্থীদের সমর্থ করা।
 

Sign in to Reply
Replying as Submit