ব্রিটেনে স্টুডেন্ট ভিসা নেওয়ার ধাপগুলো কি কি?

Please check these topics first.

    Administrator Member Since Oct 2016
    Flag(0)
    Nov 12, 2013 09:23 PM 1 Answers
    Subscribe

    1 Subscribers
    Submit Answer
    Please login to submit answer.

    1 Answers
    Sort By:
    Best Answer
    0
    AnswersBD Administrator Jan 29, 2014 11:50 PM
    Flag(0)

    ব্রিটেনের স্টুডেন্ট ভিসা আবেদনের আরো কঠিন নিয়ম আরোপ করা হয়েছে। ভিসার আবেদন নতুন নিয়ম অনুযায়ী, স্টুডেন্ট ভিসা নিয়ে ব্রিটেনে আসতে ইচ্ছুকদের ফেইস টু ফেইস ইন্টারভিউয়ের মুখোমুখি হতে হবে। আগামী এপ্রিল থেকেই নতুন এই নিয়ম চালু করা হবে। বর্তমানে প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী, স্টুডেন্ট ভিসার জন্য যারা আবেদন করেন,

    student visa

     

    তারা সংশ্লিষ্ট কলেজের ভর্তির চিঠি, শিক্ষা সার্টিফিকেট এবং আর্থিক সংগতির প্রমাণপত্র উপস্থাপন করতে পারলেই ভিসা পাওয়ার যোগ্য হিসেবে বিবেচিত হন। কিন্তু আগামী এপ্রিল থেকে এই নিয়মের পরিবর্তনের ঘোষণা দিয়েছেন হোম সেক্রেটারি থেরেসা মে। ঘোষিত নতুন নিয়মের কারণে ব্রিটেনে পড়তে আসা স্টুডেন্টদের ব্যক্তিগত ভাবে সাক্ষাৎকারে হাজির হতে হবে। লন্ডনে পলিসি এক্সচেঞ্জে প্রদত্ত বক্তব্যে তিনি বলেন, আগামী এপ্রিল থেকে নতুন পদ্ধতিতে স্টুডেন্ট ভিসা দেওয়া হবে। তিনি আশা করেন নতুন পদ্ধতির কারণে স্টুডেন্ট ভিসায় অপব্যবহার কমে আসবে এবং প্রকৃত শিক্ষার্থীরাই ব্রিটেনে প্রবেশ করার সুযোগ পাবে। এ সময় হোম সেক্রেটারী আরো বলেন, কেউ যদি ইংরেজি বলতে পারেন এবং যথাযথ ভার্সিটির সঠিক কোর্সে ভর্তি হতে পারেন, তাহলে তিনি ঠিকই শিক্ষা লাভের জন্য ব্রিটেনে আসতে পারবেন। এ প্রসঙ্গে তিনি ভিসার জন্য ভুয়া কলেজ কর্তৃক ভর্তির চিঠি দেওয়ার ক্ষমতা বাতিলের কথাও উল্লেখ করেন। তিনি আরও বলেন, গত দশকে স্টুডেন্ট ভিসা প্রদানের বিষয়টি এক ধরনের ব্যবসায় পরিণত হয়েছিল। যার ফলে হাজার-হাজার শিক্ষার্থী প্রতারিত হয়ে তাদের নিজ দেশে ফিরে যেতে বাধ্য হন। স্টুডেন্ট ভিসার বর্তমানের প্রক্রিয়ায় কোনো আবেদনকারী শিক্ষার্থীর বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে গভীর উদ্বেগ থাকলে ও ইউকেবি এ কর্মকর্তরা তাদের কারো কারো আবেদন ফিরিয়ে দেওয়ার ক্ষমতা রাখেন না। গত বছর একটি পরীক্ষামূলক প্রকল্পের পর নতুন নিয়ম চালুর ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এতে ভূয়া শিক্ষার্থী ধরতে মুখোমুখি সাক্ষাৎ কারের কার্যকারিতা খতিয়ে দেখা হয়। ১৩ টি দেশে দুই হাজার ৩০০ শিক্ষার্থীর সাক্ষাৎকারে নেওয়া হয়। তিন মাসের এ প্রকল্পে শেষে দেখা যায়, ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাইরে দেশ গুলো থেকে ভিসা পাওয়া শিক্ষার্থীদের ৩২ শতাংশই প্রত্যাখ্যাত হতো যদি ইউকেবি এ কর্মকর্তাদের প্রত্যাখানের ক্ষমতা থাকতো। বিশ্বাসযোগ্যতার এ পরীক্ষা চালু থাকলে মিয়ানমার থেকে যুক্তরাজ্যে আসা ৪৫ শতাংশ শিক্ষার্থীই ভিসা পেত না। বাংলাদেশের ৩৮ শতাংশ ও ভারতের ২৯ শতাংশ শিক্ষার্থীকে ফিরিয়ে দেওয়া হতো। হোম অফিসের ভাষ্যমতে,নতুন নিয়ম চালু থাকলে ভাষাগত সমস্যা থাকায় প্রায় ১৭ শতাংশ ছাত্রের আবেদন বাতিল করা হতো। এদের অনেকেই ইংরেজিতে সাধারণ প্রশ্নেরও উত্তর দিতে পারেনি যদিও তারা দাবি করেছিল, যুক্তরাজ্যে উচ্চশিক্ষার জন্য তাদের প্রয়োজনীয় ইংরেজি ভাষা জ্ঞান আছে।

    Sign in to Reply
    Replying as Submit