স্বাধীনতার প্রকৃত ঘোষণাকারী কে?

Please check these topics first.

    Administrator Member Since Oct 2016
    Flag(0)
    Sep 24, 2012 06:21 PM 6 Answers
    Subscribe

    দলীয় মতাদর্শ থেকে নয়, আসলটা জানতে চাই।

    1 Subscribers
    Submit Answer
    Please login to submit answer.

    6 Answers
    Sort By:
    Best Answer
    0
    AnswersBD Administrator Jan 18, 2015 09:47 AM
    Flag(0)

    প্রকৃত নেতা আগে বুঝতে মুজলুম জননেতা মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী তাই প্রথম বলেছিল ” নির্বাচন কে লাথি মার বাংলাদেশকে স্বাধীন কর” এটাই বাংলাদেশের স্বাধীনতার প্রথম ঘোষণা  ।

    শেখ মজিবরের ৭ই মার্চ এর ঘোষণা তো সবাই জানেন। আর এই ঘোষণা স্বাধীনতার ঘোষণা হয়েও হয় নি। কারন ঐ ঘোষণাই একটি বাক্য ছিল “আর জনগণের প্রতিনিধির কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হবে“। বিস্তারিত এখানে (পূর্ণাঙ্গ ভাষণ এর ৬ষ্ঠ অনুছেদে)।

    এখুন কথা হল প্রচিম পাকিস্তান যদি এইটা মেনে নিত তবে কি পূর্ব পার্কিস্তান স্বাধীন হত?  ঘটনা আরো আসে ?????এখানে একটা প্রমান দিলাম enlightened

     

    এবার আসি জিয়াউর রহমানের কথায়। তিনি প্রথমে ভাষণ নিজে দিলেও পরে কৌশলগত কারনে তিনি বলেন বঙ্গবন্ধর পক্ষ থেকে। 

     

    তবে বর্তমানে যে সব মুক্তিযোদ্ধা জীবিত আসে তাদের জিজ্ঞাসা করবেন ” তারা যে মুক্তিযুদ্ধে নেমেছিল সেটা কি ৭ই মার্চের ভাষণের কারনে, না কালুরঘাট বেতার কেন্দ্রের ভাষণে্র কারনে……

     

    এখুন সিদ্ধান্ত আপনার কে ঘোষণা দিয়েছে???????

    Sign in to Reply
    Replying as Submit
    Best Answer
    0
    AnswersBD Administrator Jul 22, 2014 01:37 AM
    Flag(0)

    শহীদ জিয়াউর রহমান….

    Sign in to Reply
    Replying as Submit
    Best Answer
    0
    AnswersBD Administrator Jun 11, 2013 01:18 AM
    Flag(0)

    ১৯৭১ এর ২৫ মার্চ মধ্য রাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী অপারেশন সার্চলাইটের মাধ্যমে ঢাকা শহরের কয়েক হাজার নিরস্ত্র বাঙালি নিধন করে এবং একই সাথে শেখ মুজিবকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারের পূর্বে তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা এবং একটি সংক্ষিপ্ত বার্তা প্রদান করে যান। বার্তাটি ঢাকা ইপিআর ওয়ারলেস স্টেশান থেকে সিলিমপুর ওয়ারলেস স্টেশানের ইঞ্জিনিয়ার গোলাম রব্বানী ডাকুয়ার হাত দিয়ে চট্টগ্রামে পৌঁছে ২৫ শে মার্চ মধ্যরাতেই। তার পরেই পাকিস্তানীরা ইপিআর ওয়ারলেস ধ্বংস করে দেয়। বিস্তারিত বিবরণ লেখা আছে সাহিত্যিক মাহবুব উল আলমের “বাঙ্গালীর মুক্তিযুদ্ধের ইতিবৃত্ত” বইটিতে। ভোর হবার আগেই বার্তাটির শত শত কপি তৈরী হয়ে যায় একটা সাইক্লোষ্টাইল মেশিনের সাহায্যে। চট্টগ্রামের অনেক জায়গায় মধ্য রাত থেকেই মাইকে বার্তাটি প্রচার করা হয়। এরই প্রেক্ষিতে ২৬ মার্চ দুপুর বেলা চট্টগ্রাম আওয়ামী লীগ নেতা এম এ হান্নান চট্টগ্রামের কালুরঘাট ট্রান্সমিশান কেন্দ্র হতে প্রথমবারের মত স্বাধীনতার ঘোষণা হিসেবে বঙ্গবন্ধুর ঐ বার্তা পাঠ করেন।

    Sign in to Reply
    Replying as Submit
    Best Answer
    0
    AnswersBD Administrator Apr 19, 2013 05:34 AM
    Flag(0)

    ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ পশ্চিম পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী যখন পূর্ব পাকিস্তানের নিরস্ত্র বাঙালীদের ওপর বর্বরের মতো ঘৃণ্য হামলা চালায়। সে রাতে পশ্চিম পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর হাতে পূর্ব পাকিস্তানের জনপ্রিয় বাঙালি নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান বন্দী হন। পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ চলে যান আত্মগোপনে। জনগণ তখন কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে পড়ে। এই সঙ্কটময় মুহূর্তে ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ পূর্ব পাকিস্তানের রাজধানী ঢাকায় পশ্চিম পাকিস্তানী বাহিনীর বর্বর আক্রমণের পর জিয়াউর রহমান পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সাথে সম্পর্ক ত্যাগ করে বিদ্রোহ করেন এবং ২৬শে মার্চ [৫] তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষ থেকে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা পত্র পাঠ করেন।

    This is Swadhin Bangla Betar Kendra. I, Major Ziaur Rahman, at the direction of Bangobondhu Mujibur Rahman, hereby declare that Independent People’s Republic of Bangladesh has been established. At his direction , I have taken the command as the temporary Head of the Republic. In the name of Sheikh Mujibur Rahman, I call upon all Bengalees to rise against the attack by the West Pakistani Army. We shall fight to the last to free our motherland. Victory is, by the Grace of Allah, ours. Joy Bangla.[৬]

    মেজর জিয়া এবং তাঁর বাহিনী সামনের সারি থেকে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা করেন। তাঁরা বেশ কয়েকদিন চট্টগ্রাম ও নোয়াখালী অঞ্চল নিজেদের নিয়নত্রণে রাখতে সক্ষম হয়। পরবর্তীতে পাকিস্তান সামরিক বাহিনীর অভিযানের মুখে কৌশলগতভাবে তাঁরা সীমান্ত অতিক্রম করেন। ১৭ই এপ্রিল মুজিবনগর সরকার গঠিত হলে তিনি ১ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার নিযুক্ত হন। তিনি সেনা সদস্যদের সংগঠিত করে পরবর্তীতে তিনটি সেক্টরের সমন্বয়ে জেড ফোর্সের অধিনায়ক হিসেবে যুদ্ধপরিচালনা করেন। স্বাধীনতা যুদ্ধে জিয়াউর রহমান, যুদ্ধ পরিকল্পনা ও তার বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করেন। ১৯৭১ সালের এপ্রিল হতে জুন পর্যন্ত ১ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার এবং তারপর জুন হতে অক্টোবর পর্যন্ত যুগপৎ ১১ নম্বর সেক্টরের[৭] ও জেড-ফোর্সের[৮] কমান্ডার হিসেবে তিনি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। স্বাধীনতা যুদ্ধে বীরত্বের জন্য তাকে বীর উত্তম উপাধিতে ভূষিত করা হয়।

     

    ১০ এপ্রিল: নৌ পরিবহন মন্ত্রী শাহজাহান খান বলেছেন, ‘‘জিয়া কখনো নিজেকে স্বাধীনতার ঘোষক বলেননি, বঙ্গবন্ধুর দেয়া ঘোষণাকে আওয়ামী লীগ নেতারা জিয়াকে দিয়ে পাঠ করিয়েছেন। জিয়ার মতো আমিও আমার এলাকায় বঙ্গবন্ধুর পক্ষে স্বাধীনতার ঘোষণার কথা লোকজনকে বলেছি। জিয়া স্বাধীনতার ঘোষক হলে আমিও স্বাধীনতার ঘোষক।’’নৌমন্ত্রী বলেন, “বঙ্গবন্ধুর ঘোষণাই জিয়া পাঠ করেন।

    ঢাকা, ২৭ মার্চ : আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী এড. কামরুল ইসলাম বলেছেন, স্বাধীনতার ঘোষক বিষয়টি একটি মীমাংসিত ইস্যু। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ এই রমনা রেসকোর্স থেকেই স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন। এটি সাংবিধানিক সত্য এবং বিষয়টি এখন শুধু সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে সংবিধানে সংযোজিত হবে।

     

    Sign in to Reply
    Replying as Submit
    Best Answer
    0
    AnswersBD Administrator Oct 20, 2012 05:02 AM
    Flag(0)

    শহীদ জিয়াউর রহমান যে স্বাধীনতার ঘোষক এটা প্রত্যেক মানুষেই যানে । কিন্তু রাজনীতিক কারনে বলতে চায় না । আর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান স্বাধীনতার স্থপতি ।

    Sign in to Reply
    Replying as Submit
    Best Answer
    0
    AnswersBD Administrator Sep 25, 2012 04:44 AM
    Flag(0)

    শহীদ জিয়াউর রহমান।

    Sign in to Reply
    Replying as Submit