ফরয সালাতের পর মোনাজাত করার নিয়ম কি হাদিসে আছে ? যদি থাকে তাহলে হাদিস নং ও হাদিস বই টির নাম লিখেন ।

Please check these topics first.

    Administrator Member Since Oct 2016
    Flag(0)
    Apr 30, 2013 09:55 PM 4 Answers
    Subscribe

    1 Subscribers
    Submit Answer
    Please login to submit answer.

    4 Answers
    Sort By:
    Best Answer
    0
    AnswersBD Administrator Nov 23, 2013 07:46 PM
    Flag(0)

    http://hadis.sinhatalk.com/category/pray/

    Sign in to Reply
    Replying as Submit
    Best Answer
    0
    AnswersBD Administrator Nov 23, 2013 03:36 PM
    Flag(0)

    সবাইকে সালাম। দুয়া করা আমাদের ধর্মে একটা গুরুত্বপূর্ন অংশ । এটা নামাযের অংশ না। মহান আল্লাহ তওবাকারী আর দুয়া করাকে অত্যন্ত পছন্দ করেন। তওবাও একটা চাওয়া। মহানবী(সঃ) বলেন, যদি জুতার ফিতাও চাইতে হয়, তাহলে মহান আল্লাহর কাছে চাও। কারন তিনি ছাড়া দিবার আর কেউ নাই । কেউ আন্তরিকতার সাথে চাইলে মহান আল্রাহ তাকে দেন। তবে দেয়া না দেয়াটা উনার ইচ্ছার উপর নির্ভর করে। তবে উনার এই দিবার মুসলিম-অমুসলিম কোন তফাৎ নেই।

    উনি মানুষকে ৩ ভাবে দেনঃ-

    ক) সরাসরি দেয়া। আপনি হয়তো সম্পদ/টাকা চান, সেটা আপনাকে দেয়া হোল।

    খ) আপনার হয়তো কোন একটা বিপদ আসার ছিল , সেটা তিনি দূর করে দিলেন।

    গ) উপরের দুটোর কোনটাই না করে , পরকালের জন্য তিনি রেখে দিলেন। তবে এটা শুধুমাত্র প্রকৃত মুসলিমদের জন্য যারা, মহান আল্লাহকে, উনার দেয়া পথে বিশ্বাস করতো।

    দুনিয়াতে ভাল চাকুরী পেতে হলে কিংবা ভাল ব্যবসায়ী হতে হলে, একটা যোগ্যতা লাগবে। একই ভাবে মহান আল্লাহর কাছে দুয়া কবুল হতে হলে, আপনাকে যোগ্যতা অর্জন করতে হবে। দুয়া কবুল বলতে, এখানে ইহকাল ও পরকাল দুটোই বুঝানো হচ্ছে। মনে করুন, আপনার পিতা ইন্তেকাল করেছেন। আপনি পিতার জন্য দুয়া করবেন। আপনার যদি ধর্মীয় যোগ্যতা না থাকে, আপনার দোয়া কবুল হবে না। পৃথিবীর পাওয়ার ব্যাপার হলে , আপনি বুঝতে পারবেন,আপনার দুয়া কবুল হয়েছে।

    কিন্তু বাকী দুটোর ব্যাপারে আপনার বুঝার কোন সুযোগ নাই। এজন্য আমাদের রাসুল(সঃ) বলেছেন, মানুষ মারা যাবার পরেও, তার আমলনামার সাথে যোগ হতে থাকে ৩টা জিনিসঃ- এটা হোল তার যোগ্য সন্তানের দোয়া যে, মহান আল্রাহর দৃষ্টিতে, যার যোগ্যতা আছে।

    দুয়াতে কোন সমস্যা নাই। কিন্তু ফরয সালাতের পর আপনি একা দুয়া করুন। ইমামের নেতৃত্বে , সম্মিলিত ভাবে নয় । মহানবী (সঃ) সম্মিলিত ভাবে ব্যাক্তিগত দুয়া করেননি। সম্মিলিত ভাবে করেছেন সামাজিক সমস্যা যেমনঃ অতিবৃষ্টি, অনাবৃষ্টি, মহামারী, বিশেষ ভাবে অসুস্থতার জন্য কেউ দুয়া চাইলে ইত্যাদিতে সম্মিলত দুয়া করেছেন।

    মহানবীর(সঃ) মদীনা জীবনে, ফরয নামাযের পরে, সম্মিলিত ভাবে ব্যাক্তিগত দুয়া, একবারও করেননি। কারন ব্যাক্তিগত দোয়া করবেন, উনার আত্তীয়,ছেলে-মেয়েরা । মহান আল্রাহ ছেলে-মেয়ে, ভাতিজা ছাড়া বাহিরের মাসুলের দুয়াকে ভ্রক্ষেপ করেন না। বাহিরের মানুষের দুয়া কখনও নিজের মানুষের মত হৃদয়গ্রাহী হয় না। ভাড়া করা বাহিরের মানুষ দিয়ে দুয়া করার অর্থ হচ্ছে টাকা দিয়ে দুয়া কেনা। দুয়ার মালিক তাহলে ধনী মানুষেরা হয়ে যাবে আর বর্তমান পৃথিবীর এরা পরকালেও আরামে থাকবে। ন্যায়-বিচার কিভাবে হবে ?

    ধন্যবাদ্

    Sign in to Reply
    Replying as Submit
    Best Answer
    0
    AnswersBD Administrator May 01, 2013 08:48 PM
    Flag(0)

    বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম

    ইন্নাল হাম্‌দা লিল্লাহ্‌ (নিঃসন্দেহে সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য)!

    দুআয় হাত ওঠানো

    নামাযের পর দুআ কবূল হয়। এ সময় মেহেরবান রবের নিকট যেকোনো দুআ করা যায়। আরবিতে বা নিজ নিজ মাতৃভাষায় ইখলাস ও মনোযোগের সঙ্গে দুআ করা উচিত। এ সময় দুআ করা মুস্তাহাব, তবে তা নামাযের অংশ নয়।

    ১নং হাদীস

    হায্‌রাত সালমান ফার্‌সী রাযিয়াল্লাহু তা’আলা আন্‌হু হতে বর্ণিত,

    ان اللہ حی کریم، یستحی ان یرفع الرجل الیہ یدیہ ان یردھما صِفراً خائِبیْن۔

    নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, আল্লাহ তাআলা দয়ালু, দাতা। যখন বান্দা তাঁর সামনে প্রার্থনার হাত প্রসারিত করে তখন তা শূন্য ফিরিয়ে দিতে তিনি লজ্জ্বাবোধ করেন। (জামি’ তিরমিযী, ২/১৯৫)

    ২নং হাদীস

    আবূ মুহাম্মাদ ইবনু আবি ইয়াহ্‌ইয়া রাহিমাহুল্লাহ্‌ বলেন,

    رایت عبد اللہ بن الزبیر و رئیٰ رجلا رافعا یدیہ قبل ان یفرغ من صلاتہ، فلما فرغ منھا قال: ان رسول اللہ صلی اللہ علیہ و سلم لم یکن یرفع یدیہ حتی یفرغ من صلاتہ۔

    আব্দুল্লাহ ইবনু যুবাইর রাযিয়াল্লাহু তা’আলা আন্‌হু একজন নামাযীকে দেখলেন, সে নামায শেষ করার আগেই হাত তুলে দুআ করছে। তিনি তাকে বললেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নামায সমাপ্ত হওয়ার আগে হাত তুলে দুআ করতেন না। (মাজমাউয যাওয়াইদ, ১০/১৬৯)

    ৩নং হাদীস

    হাযরাত সালমান রাযিয়াল্লাহু তা’আলা আন্‌হু থেকে বর্ণিত,

    قال رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم: ما رفع قوم اکفھم الی اللہ عز و جل یسئلونہ شیئا الا کان حقا علی اللہ ان یضع فی ایدیھم الذی سئلوا۔

    রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যখন কিছু মানুষ হাত উঠিয়ে আল্লাহর কাছে কোন কিছু প্রার্থনা করে তখন অবশ্যই আল্লাহ তাদের প্রার্থিত বিষয় দান করেন। (মাজমাউয যাওয়াইদ, ১০/১৬৯)

    ৪নং হাদীস

    হাযরাত আবূ উমামাহ্‌ রাযিয়াল্লাহু তা’আলা আন্‌হু হতে বর্ণিত,

    قیل لرسول اللہ صلی اللہ علیہ و سلم، ای الدعاء اسمع؟ قال: جوف اللیل الآخر، و دبر الصلوات المکتوبات

    সাহাবীগণ রাযিয়াল্লাহু তা’আলা আন্‌হুম নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞেস করলেন, কোন্‌ দুআ বেশি কবূল হয়? নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, শেষ রাতের দুআ ও ফরয নামাযের শেষের দুআ। (জামি’ তিরমিযী, ২/১৮৮)

    উপরোক্ত চার হাদীসের মধ্যে

    প্রথম হাদীস থেকে জানা যাচ্ছে, হাত তুলে দুআ করলে তা কবূলের সম্ভাবনা বেশি।

    দ্বিতীয় হাদীস থেকে জানা যাচ্ছে যে, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নামাযের পর হাত তুলে দুআ করতেন।

    তৃতীয় হাদীস থেকে জানা যাচ্ছে যে, কিছু মানুষ যখন আল্লাহর দরবারে দুআ করেন তখন তা কবূল হওয়ার অধিক সম্ভাবনা থাকে।

    চতুর্থ হাদীস থেকে জানা যাচ্ছে যে, নামায শেষে দুআ কবূল হয়।


    ফরয নামাযের পর হাত তুলে দুআ করার বিষয়ে দু’ ধরণের প্রান্তিকতা রয়েছে। কেউ একে নামাযের অংশ মনে করেন। আর কেউ একে নাজায়িয ও বিদআত বলেন। (অথচ দু’নো ধারণাই ভুল, এটা কেবল মুস্তাহাব আমল, যেমনটি শুরুতে বলা হয়েছে)

    এখানে কতিপয় গাইরে মুকাল্লিদ (অর্থাৎ যারা মাযহাব মানেন না/আহলে হাদীস) আলিমের বক্তব্য উল্লেখ করা হলো,

    ১. হাফিয আব্দুল্লাহ রোপড়ী বলেন, ফরয নামাযের পর হাত তুলে দুআ করার যে প্রচলন রয়েছে তা সঠিক। (ফাতাওয়াতে আহলে হাদীস, ২/১৯০)

    ২. মিয়া নাজীর হোসাইন দেহলবী বলেন, চিন্তাশীল ব্যক্তি মাত্রই জানেন যে, ফরয নামাযের পর হাত তুলে দুআ করা জায়িয ও মুস্তাহাব। যাইদ (যিনি এ দুআকে বিদআত বলেন) ভুল বলেন। (ফাতাওয়া নাজীরিয়্যাহ্‌, ১/৫৬৬)

    ৩. মাওলানা সানাউল্লাহ্‌ অমৃতসরী বলেন, কোনো কোনো রিওয়ায়াতে (বর্ণনায়) নামাযের পর হাত তুলে দুআ করার কথা রয়েছে। (ফাতাওয়া ছানাইয়্যাহ্‌, ১/৫২৭)


    সূত্রঃ নবীজির নামায

    লেখকঃ ড. শাইখ মুহাম্মাদ ইল্‌ইয়াস ফাইসাল মাদীনাহ্‌ মুনাওয়ারাহ্‌,

    পৃষ্ঠা, ২০৬

    অনুবাদকঃ মাওলানা মুহাম্মাদ যাকারিয়া আব্দুল্লাহ্‌,

    পরিবেশনায়ঃ মাকতাবাতুল আশরাফ, ইসলামী টাওয়ার, ১১ বাংলা বাজার, ঢাকা-১১০০।

    প্রশ্নকারীকে ধন্যবাদ।

    ওয়াস সালাম।

    Sign in to Reply
    Replying as Submit
    Best Answer
    0
    AnswersBD Administrator May 01, 2013 12:46 AM
    Flag(0)

    ইন্নালহামদালিল্লাহ

    ফরজ সালাত শেষে আমাদের দেশে যে প্রচলিত মুনাজাত বা দোয়া করা হয় -তা একটি স্বীকৃত বিদআ’ত। রাসুল সা. বা সাহাবায়ে কেরাম কখনো এরুপ করেন নি। সহীহ হাদীসে এর কোন দালীল পাওয়া যায় না। মক্কা-মদীনাতে এখন পর্যন্ত এই বিদআ’ত চালু হয়নি।

    প্রশ্নকারীকে ধন্যবাদ।

    মা আস-সালাম।

    Sign in to Reply
    Replying as Submit