আমাদের রাসূল এর কয়েকটি মোজেজা জানতে চাই

Please check these topics first.

    Administrator Member Since Oct 2016
    Flag(0)
    Nov 18, 2012 09:28 AM 1 Answers
    Subscribe

    1 Subscribers
    Submit Answer
    Please login to submit answer.

    1 Answers
    Sort By:
    Best Answer
    0
    AnswersBD Administrator Nov 19, 2012 09:02 AM
    Flag(0)

    হজরত মুহাম্মদ (সা:)-এর জীবনে অলৌকিকতায় পূর্ণ প্রচুর ঘটনার মহাসমাবেশ দেখতে পাই। যার বিবরণ লিখে শেষ করা যায় না। খোদ কুরআন শরিফ নবীজীর এসব মোজেজার সাক্ষ্য বহন করে। পরার্থপরতার অন্তর্জাত তাড়না থেকে নবীজীর নাফস বা প্রাণ কিংবা অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বা দৈহিক কোনো বস্তু ছাড়াও এমনকি তার ইশারা-ইঙ্গিতেও মোজেজা প্রদর্শনের ক্ষমতা ছিল। যেমন হুজুরের অঙ্গুলি হেলনে আজ্ঞাবহ চাঁদ দ্বিখণ্ডিত হয়ে যায়। হিজরতের রাতে হুজুরের বাড়ি ঘেরাওকারী মক্কার দুর্বৃত্ত-সন্ত্রাসী-খুনি সর্দারকে লক্ষ্য করে ধুলাবালিতেই ওরা সজাগ-সচেতন ও চোখ খোলা থেকেও নবীজীর স’ানকে দেখতে পেত না।

    এভাবেই ভালোবাসার পয়গম্বর শক্তিশালী দুর্গ বিজয়ের আগের রাতে ঘোষণা দিলেন, আগামীকাল যাকে সেনাপতি করে পাঠাবেন তিনিই বিজয়ী হবেন। কয়েক দিন যুদ্ধাভিযানে সবাই ক্লান্ত হলেও পরের দিনের ভাগ্যবান সেনাপতি কে হবেন সে চিন্তায় সাহাবিদের চোখে রাতে ঘুম আসেনি। উৎকণ্ঠার চিহ্নগুলো এদিক-ওদিক ছুটতে থাকে। ভোর বেলায় নবীজী ডেকে পাঠালেন হজরত আলী (রা:)-কে। তিনি যখন এলেন তখন চোখ মেলতে পারছিলেন না। সারা রাত চোখের ব্যথায় অস্থির ছিলেন। নবীজী তাকেই সেনাপতি হওয়ার জন্য ঘোষণা দিলেন। চটজলদি আলী (রা:) রাজি হলেন। কিন্তু ঘুম ঘুম ভাব যে তাঁর কিছুতেই কাটছে না। নবীজী ওই চোখে নিজের পবিত্র থুতু ছিটিয়ে দিতেই তৎক্ষণাৎ তা ভালো হয়ে গেল।

    তা যা বলছিলাম, আর একবার নবীজীর শরীরের রক্ত পান করেও আর এক সাহাবি দোজখের দরোজা বন্ধ করে দিলেন। সিঙ্গায় টেনে আনা বাহ্যত দূষিত রক্তেরই এ অলৌকিকতা।

    Sign in to Reply
    Replying as Submit